Home / পত্রপত্রিকা / তৃতীয় বর্ষে পদার্পন করলো সর্বজনকথা পত্রিকা

তৃতীয় বর্ষে পদার্পন করলো সর্বজনকথা পত্রিকা

p-1তৃতীয় বর্ষে পদার্পন করলো সর্বজনকথা পত্রিকা
তৃতীয় বর্ষে পদার্পন করলো সর্বজনকথা পত্রিকা। তৃতীয় বর্ষ, ১ম সংখ্যা অর্থাৎ নবম সংখ্যায় যেই লেখাগুলো রয়েছে তার মধ্যে রয়েছেঃ
*আনু মুহাম্মদ লিখেছেন একটি প্রবন্ধ “উন্নয়ন সহিংসতা”
*পাভেল পার্থ সুন্দরবনের প্রাণ বৈচিত্র নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করে লিখেছেন “বাদাবনের বিজ্ঞান”
*মাহা মির্জা রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশের একটি গ্রাম সলতেনালি দেখে এসে লিখেছেন “সুন্দরবন, উন্নয়ন, ও সলতেনালি”
*মোশাহিদা সুলতানা ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিনত হতে হলে সরকারের যেই মহাপরিকল্পনা চলছে তার উপর লিখেছেন “সরকারি মহাপরিকল্পনা ২০১৬ তে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং এর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট”
*কল্লোল মোস্তফা বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি কিভাবে করা যায় তা নিয়ে একটি বিশ্লেষনী লেখা লিখেছেন – “বাপেক্স যেভাবে জাতীয় মালিকানায় সাগরের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের দায়িত্ব নিতে পারে”
* মাহবুব সুমন লিখেছেন “বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট এবং সম্ভাব্য সমাধানঃ নবায়নযোগ্য শক্তি এবং প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়ক পর্যালোচনা”
*মওদুদ রহমান লিখেছেন “বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট বনাম সম্ভাবনার খন্ডচিত্র”
*স্বপন আদনান বিল ডাকাতিয়ায় জলাবদ্ধতা দুরীকরনে স্থানীয় মানুষের জ্ঞান কিভাবে একটি আন্দোলনের সুচনা করে তার বৃত্তান্ত লিখেছেন “বিল ডাকাতিয়ার গণআন্দোলন” প্রবন্ধে।
* আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ও মহাশ্বেতী দেবীর কথোপকথনের ধারাবাহিক প্রকাশ
* বিরঞ্জন রায় লিখেছেন “ভারতীয় বস্তবাদের উত্তরাধিকার”
এছাড়াও থাকছে –
• সুন্দরবন আন্দোলনে দমন-পীড়ন-হুমকির তালিকাঃ জুলাই থেকে অক্টোবর,
• ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের নাগরিকদের পক্ষ থেকে খোলা চিঠি,
• ভারতীয় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি,
• কয়লা ভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে স্বাধীন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষনের সারাংশ।

পাওয়া যাচ্ছে আজিজ মার্কেটের সব বইয়ের দোকানে এবং কনকর্ডের সংহতি প্রকাশনীতে। কিছুদিনের মধ্যেই ঢাকার বাইরে পৌছে যাবে।